Tripura's 1st NABH-Accredited Superspeciality Eye Hospital
বাংলাদেশী রোগীদের বিশেষ সহায়তা হেল্পডেস্কআখাউড়া-আগরতলা সীমান্ত (ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট) থেকে মাত্র ১৫ মিনিট
ত্রিপুরার ১ম ও একমাত্র NABH স্বীকৃত চক্ষু হাসপাতাল১০,০০০+ সফল সার্জারির অভিজ্ঞতা

বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার রোগীদের আস্থা

বাংলাদেশ থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টায় আগরতলায় বিশ্বমানের চোখের চিকিৎসা

ঢাকা, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সিলেট থেকে অতি সহজে সড়ক বা রেলপথে আখাউড়া সীমান্ত হয়ে আগরতলা পৌঁছান। আন্তর্জাতিক মানের সেলাইবিহীন ফ্যাকো ছানি অপারেশন, আধুনিক রেটিনা সার্জারি, গ্লুকোমা ও শিশুদের চোখের সম্পূর্ণ চিকিৎসা—মাতৃভাষা বাংলায় উষ্ণ ও আন্তরিক সেবায়।

ঢাকা থেকে৩ – ৪ ঘণ্টা
কুমিল্লা থেকে১ – ১.৫ ঘণ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া৪৫ – ৬০ মিনিট
সিলেট থেকে৩ ঘণ্টা
অশ্বিনী নেত্রালয় আগরতলা - আন্তর্জাতিক চোখের চিকিৎসা

অশ্বিনী নেত্রালয়

বিজয়কুমার চৌমুহনী, আগরতলা

NABH মানসম্মত
  • মেডিকেল ভিসা ইনভাইটেশন লেটার প্রদান সুবিধা
  • সেলাইবিহীন ব্যথাহীন ফ্যাকো ছানি ও ডে-কেয়ার ডিসচার্জ
  • ২৫জি/২৭জি অত্যাধুনিক ভিট্রেও-রেটিনা সার্জারি ইউনিট
  • কার্ল জাইস (Carl Zeiss) ও অ্যালকন (Alcon) আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি
সুবিধা ও সাশ্রয়

কলকাতা বা চেন্নাইয়ের বদলে আগরতলা কেন সেরা পছন্দ?

বাংলাদেশী রোগীদের জন্য চোখের উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে দূরবর্তী শহরের বদলে আগরতলা অশ্বিনী নেত্রালয় বেছে নেওয়ার বাস্তবসম্মত কারণসমূহ:

সময় ও দূরত্বের বিশাল সাশ্রয়

কলকাতায় যাওয়ার জন্য ব্যয়বহুল বিমান টিকিট বা দীর্ঘ ট্রেনের ক্লান্তিকর জার্নি করতে হয় না। ঢাকা বা কুমিল্লা থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আখাউড়া সীমান্ত পেরিয়ে সহজেই হাসপাতালে পৌঁছানো যায়।

NABH স্বীকৃত নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি

অশ্বিনী নেত্রালয় ত্রিপুরার প্রথম ও একমাত্র NABH স্বীকৃত সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল। এখানে রয়েছে সম্পূর্ণ ইনফেকশন-ফ্রি ল্যামিনার ফ্লো মডিউলার ওটি, কার্ল জাইস ও অ্যালকন সেন্টুরিয়ন সহ শীর্ষ প্রযুক্তি।

মাতৃভাষা বাংলায় ১০০% আন্তরিক সেবা

কোনো ভাষাগত দূরত্ব নেই। আমাদের সকল শীর্ষ চক্ষু বিশেষজ্ঞ, মেডিকেল স্টাফ ও নার্সরা সাবলীলভাবে বাংলায় কথা বলেন। রোগী ও পরিবার নিজেদের মনের সব প্রশ্ন নিঃসংকোচে আলোচনা করতে পারেন।

একই দিনে পরীক্ষা ও ডে-কেয়ার সার্জারি

দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকার প্রয়োজন হয় না। ফ্যাকো ছানি অপারেশন মাত্র ১০-১৫ মিনিটে সম্পন্ন হয় এবং রোগীকে ২ ঘণ্টার মধ্যে হোটেল বা বাসায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

মেডিকেল ভিসা সহায়তা পত্র

রোগীদের দ্রুত ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য হাসপাতাল থেকে প্রাতিষ্ঠানিক মেডিকেল ইনভাইটেশন লেটার প্রদান করা হয়, যা দিয়ে নিকটস্থ ভারতীয় ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (IVAC) আবেদন করা সম্ভব।

স্বচ্ছ ব্যয় ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ

মেট্রো শহরের তুলনায় আগরতলায় বাসস্থান, হোটেল, খাবার ও সামগ্রিক চিকিৎসার খরচ অনেক সাশ্রয়ী। কোনো প্রকার অনৈতিক মধ্যস্বত্বভোগী বা লুকানো চার্জ ছাড়াই সরাসরি স্বচ্ছ চিকিৎসা সেবা।

ধাপভিত্তিক নির্দেশিকা

বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আসার ৫টি সহজ ধাপ

কোনো প্রকার বিভ্রান্তি ছাড়াই আপনার চোখ চিকিৎসার সঠিক পরিকল্পনা সম্পন্ন করুন:

১
ধাপ ১: প্রাথমিক মূল্যায়ন

হোয়াটসঅ্যাপে আপনার বর্তমান চোখের প্রেসক্রিপশন ও রিপোর্ট পাঠান

আপনার বিদ্যমান চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন, চোখ পরীক্ষার রিপোর্ট বা চশমার পাওয়ার পরিষ্কার ছবি তুলে আমাদের ডেডিকেটেড হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে (+91 92336 17885) পাঠান।

২
ধাপ ২: ডাক্তারের পর্যালোচনা

সিনিয়র বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও আনুমানিক চিকিৎসা খরচের বিবরণ

আমাদের সিনিয়র চক্ষু সার্জন আপনার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পদ্ধতি (যেমন: ফ্যাকো ছানি অপারেশন, রেটিনা ইনজেকশন বা ডায়াগনস্টিকস) এবং আনুমানিক খরচ জানিয়ে দেবেন।

৩
ধাপ ৩: ভিসা সহায়তা

হাসপাতালের অফিশিয়াল মেডিকেল ভিসা ইনভাইটেশন লেটার সংগ্রহ

রোগী ও তার সহযাত্রীর পাসপোর্টের ফটোকপি পাঠালে আমরা হাসপাতাল প্যাডে স্বাক্ষরিত মেডিকেল ভিসা আমন্ত্রণ পত্র প্রদান করব, যা দিয়ে সহজেই মেডিকেল ভিসার আবেদন সম্পন্ন করা যাবে।

৪
ধাপ ৪: আগরতলায় আগমন

আখাউড়া-আগরতলা বর্ডার অতিক্রম করে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছানো

আখাউড়া সীমান্ত পার হয়ে আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট থেকে যেকোনো অটোরিকশা বা ট্যাক্সিতে মাত্র ১৫-২০ মিনিটে বিজয়কুমার চৌমুহনীতে অশ্বিনী নেত্রালয়ে পৌঁছাতে পারবেন।

৫
ধাপ ৫: সফল চিকিৎসা ও প্রত্যাবর্তন

উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ, ফলো-আপ চেকআপ এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা

পেইনলেস আধুনিক চিকিৎসা বা ছানি অপারেশনের পর সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম শেষে পরদিনই ফলো-আপ পরীক্ষা করিয়ে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যে দেশে ফিরে যেতে পারেন।

চিকিৎসা সেবাসমূহ

অশ্বিনী নেত্রালয়ের প্রধান বিশেষায়িত বিভাগসমূহ

আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও দক্ষ সার্জনদের দ্বারা পরিচালিত আধুনিক চক্ষু বিভাগ:

ছানি অপারেশন - ফ্যাকো সার্জারি

সেলাইবিহীন ফ্যাকো ছানি অপারেশন (MICS Phaco)

ইনজেকশন ও ব্যান্ডেজ মুক্ত ১.৮ মিমি মাইক্রো-ইনসিশন পদ্ধতিতে ছানি অপসারণ। মনোফোকাল, টরিক (অ্যাসটিগমেটিজম দূরীকরণ), মাল্টিফোকাল ও EDOF প্রিমিয়াম লেন্স প্রতিস্থাপন।

বিস্তারিত জানুনসময়: ১০–১৫ মিনিট
রেটিনা সার্জারি ও ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি

ভিট্রেও-রেটিনা সার্জারি ও ডায়াবেটিক রেটিনা কেয়ার

রেটিনা বিচ্ছিন্নতা (Retinal Detachment), ডায়াবেটিক রক্তক্ষরণ, ম্যাকুলার হোল এবং ২৫জি/২৭জি আল্ট্রা-স্পিড ভিট্রোেক্টমি। ৫৩২এনএম গ্রিন লেজার ও অ্যান্টি-ভিইজিএফ ইনজেকশন।

বিস্তারিত জানুনবিশেষায়িত ইউনিট
গ্লুকোমা চিকিৎসা ও ট্র্যাবেকুলেক্টমি

গ্লুকোমা নির্ণয় ও ট্র্যাবেকুলেক্টমি সার্জারি

দৃষ্টির নীরব ঘাতক গ্লুকোমার প্রাথমিক শনাক্তকরণ। হামফ্রে ভিজ্যুয়াল ফিল্ড টেস্ট (HFA3), জাইস OCT অপটিক নার্ভ স্ক্যান, YAG আইরিডোটমি ও প্রেসার নিয়ন্ত্রক সার্জারি।

বিস্তারিত জানুনফিল্ড অ্যানালাইজার
শিশুদের চোখের চিকিৎসা ও স্কুইন্ট সার্জারি

শিশুদের চোখের চিকিৎসা ও ট্যারা চোখ (Squint)

শিশুদের অলস চোখ (Amblyopia) প্যাচিং থেরাপি, জন্মগত ছানি এবং আধুনিক স্কুইন্ট কারেকশন সার্জারি যার মাধ্যমে স্বাভাবিক 3D দৃষ্টি ও চোখের অবস্থান পুনরুদ্ধার হয়।

বিস্তারিত জানুনশিশু-বান্ধব ওপিডি
কার্ল জাইস HD-OCT ও উন্নত ডায়াগনস্টিকস

কার্ল জাইস HD-OCT ও USG B-Scan

৫-মাইক্রন নিখুঁত জাইস সাইরাস OCT স্ক্যান, অপথ্যালমিক আল্ট্রাসাউন্ড বি-স্ক্যান, ডিজিটাল ফান্ডাস ফটোগ্রাফি ও নন-কন্টাক্ট এয়ার-পাফ টোনোমেট্রি।

বিস্তারিত জানুনতাৎক্ষণিক রিপোর্ট
YAG লেজার ক্যাপসুলোটমি

৩ মিনিটে YAG লেজার ক্যাপসুলোটমি

ছানি অপারেশনের পর লেন্সের পেছনের পর্দা ঘোলাটে হলে (PCO) মাত্র ৩ মিনিটের ব্যথাহীন আউটপেশেন্ট YAG লেজারে তাৎক্ষণিক স্ফটিক স্বচ্ছ দৃষ্টি ফিরে পান।

বিস্তারিত জানুনআউটপেশেন্ট ৩ মিনিট
যাতায়াত ও রুট নির্দেশিকা

বাংলাদেশ থেকে কীভাবে আসবেন?

আখাউড়া-আগরতলা সীমান্ত পথ অত্যন্ত সুগম ও দ্রুত যাতায়াতযোগ্য:

🚆 ঢাকা থেকে

কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেনে (মহানগর, তূর্ণা বা উপকূল এক্সপ্রেস) সরাসরি আখাউড়া জংশন। এরপর অটোরিকশায় আখাউড়া বর্ডার। সীমান্ত পার হলেই আগরতলা।

মোট সময়: ৩ – ৪ ঘণ্টা
🚗 কুমিল্লা থেকে

কুমিল্লা শহর বা কান্দিরপাড় থেকে সিএনজি বা বাসে সরাসরি আখাউড়া সীমান্ত চেকপোস্টে পৌঁছানো যায়। এটি সবচেয়ে নিকটবর্তী রুট।

মোট সময়: ১ – ১.৫ ঘণ্টা
🚌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর থেকে লোকাল বাস বা সিএনজিতে মাত্র ২০-২৫ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত আখাউড়া আন্তর্জাতিক বর্ডার।

মোট সময়: ৪৫ – ৬০ মিনিট
🚖 আগরতলা শহর থেকে

আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট (বর্ডার) থেকে যেকোনো রিকশা বা অটোরিকশায় "বিজয়কুমার চৌমুহনী, অশ্বিনী নেত্রালয়" বললেই নামিয়ে দেবে।

বর্ডার থেকে দূরত্ব: ৬ কিমি (১৫ মিনিট)
জরুরি ভিসা ও প্রশাসনিক তথ্য

ভারতীয় মেডিকেল ভিসা সংক্রান্ত নিয়মাবলী ও আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য শুধুমাত্র ভারত সরকারের আনুষ্ঠানিক ভিসা পোর্টাল (Indian Visa Online: indianvisaonline.gov.in) অনুসরণ করুন। ভিসা মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যানের সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত ভারতীয় দূতাবাস ও ভিসা কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারধীন। হাসপাতাল কোনো অনানুষ্ঠানিক চার্জ দাবি করে না।

অভিজ্ঞ চিকিৎসক দল

অশ্বিনী নেত্রালয়ের নেতৃত্বদানকারী চক্ষু বিশেষজ্ঞগণ

ভারতের শীর্ষ চক্ষু গবেষণা কেন্দ্র ও মেডিকেল কলেজ থেকে উচ্চতর ডিগ্রি ও ফেলোশিপধারী সার্জনদের আন্তরিক পরিচর্যা:

ডাঃ অনুরাগ মজুমদার

ডাঃ অনুরাগ মজুমদার

MBBS, MS (Ophthalmology)

মেডিকেল ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট (ফ্যাকো ও অ্যান্টেরিওর সেগমেন্ট সার্জারি)

ডাঃ সুব্রত সাহা

ডাঃ সুব্রত সাহা

MBBS, MS (Ophthalmology)

চিফ অপারেটিং অফিসার ও সিনিয়র আই সার্জন (ফ্যাকো ও রিফ্র্যাক্টিভ সার্জারি)

ডাঃ কৌশিক বিশ্বাস

ডাঃ কৌশিক বিশ্বাস

MBBS, MS, DNB

সিনিয়র ভিট্রেও-রেটিনা সার্জন ও রেটিনোপ্যাথি বিশেষজ্ঞ (শঙ্কর নেত্রালয় ফেলো)

ডাঃ পারুলদীপ চাকমা

ডাঃ পারুলদীপ চাকমা

MBBS, MS, FAEH

গ্লুকোমা ও ক্যাটারাক্ট স্পেশালিস্ট (অরবিন্দ আই কেয়ার ফেলো)

“আমার বাবার রেটিনা হঠাৎ ছিঁড়ে যাওয়ার পর আমরা ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়েছিলাম। কলকাতায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিতেই অনেক দিন লেগে যেত। পরে একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে আগরতলা অশ্বিনী নেত্রালয়ের কথা জানতে পেরে কুমিল্লা থেকে মাত্র ২ ঘণ্টায় চলে আসি। ডাঃ কৌশিক বিশ্বাস পরের দিনই সফলভাবে রেটিনা সার্জারি করেন। ভাষা, আদর-যত্ন এবং চিকিৎসা খরচ—সবদিক থেকে এটি আমাদের সেরা অভিজ্ঞতা ছিল।”

আনোয়ারুল ইসলাম (রোগীর পুত্র)

কুমিল্লা, বাংলাদেশ

রেটিনা সার্জারি ও দৃষ্টি পুনরুদ্ধার
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

বাংলাদেশী রোগীদের প্রচলিত প্রশ্নের উত্তর

বাংলাদেশ থেকে আগরতলায় চোখের চিকিৎসা করাতে আসার নিয়ম কী?
প্রথমে আপনার পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন ও চোখের টেস্ট রিপোর্ট আমাদের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে (+91 92336 17885) পাঠান। আমাদের সিনিয়র চক্ষু সার্জনরা রিপোর্ট দেখে প্রাথমিক মূল্যায়ন ও চিকিৎসার সম্ভাব্য খরচ জানিয়ে দেবেন। এরপর চিকিৎসার সুবিধার্থে হাসপাতাল থেকে 'মেডিকেল ভিসা আমন্ত্রণ পত্র' (Medical Visa Invitation Letter) প্রদান করা হবে, যা দিয়ে আপনি নিকটস্থ ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (IVAC) ভিসার আবেদন করতে পারবেন।
মেডিকেল ভিসার জন্য কি অশ্বিনী নেত্রালয় থেকে ইনভাইটেশন লেটার পাওয়া যাবে?
হ্যাঁ। নিশ্চিত রোগী এবং বৈধ পাসপোর্টধারী একজন বা দুজন অ্যাটেনডেন্টের জন্য অশ্বিনী নেত্রালয় অফিশিয়াল ইনভাইটেশন লেটার জারি করে। এর জন্য রোগীর নাম, পাসপোর্ট কপি, ঠিকানা ও সাম্প্রতিক চক্ষু চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন আমাদের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে হবে। সাধারণত ১-২ কার্যদিবসের মধ্যে ইনভাইটেশন লেটার প্রস্তুত করে পাঠানো হয়।
ছানি (Cataract) বা রেটিনা অপারেশনের জন্য আগরতলায় কত দিন থাকতে হবে?
আধুনিক মাইক্রো-ইনসিশন ফ্যাকো (MICS Phaco) ছানি অপারেশন সম্পূর্ণ সেলাইবিহীন ও ব্যথাহীন এবং এটি একটি ডে-কেয়ার পদ্ধতি। অপারেশনের মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে রোগীকে ছুটি দেওয়া হয়। সাধারণত অপারেশনের পরের দিন সকালে ওপিডিতে একবার ফলো-আপ চেকআপ করিয়ে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই রোগী স্বাচ্ছন্দ্যে বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারেন।
ঢাকা বা কুমিল্লা থেকে অশ্বিনী নেত্রালয় পৌঁছাতে কত সময় লাগে?
আখাউড়া-আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট (সীমান্ত) থেকে অশ্বিনী নেত্রালয় মাত্র ৬ কিলোমিটার (গাড়িতে ১৫-২০ মিনিট)। ঢাকা থেকে ট্রেনে বা বাসে আখাউড়া পৌঁছাতে প্রায় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা লাগে। কুমিল্লা বা ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সড়কপথে মাত্র ৪৫ মিনিট থেকে ১.৫ ঘণ্টার মধ্যে সীমান্তে পৌঁছানো যায়। ফলে কলকাতা বা চেন্নাই ভ্রমণের চেয়ে এটি অত্যন্ত দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত।
চিকিৎসার খরচ কোন মাধ্যমে বা কোন মুদ্রায় পরিশোধ করা যায়?
হাসপাতালে সমস্ত বিল ভারতীয় রুপি (INR)-তে করা হয়। আন্তর্জাতিক ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড (Visa / Mastercard) এবং অনুমোদিত ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সহজে পেমেন্ট গ্রহণ করা হয়। সীমান্ত এলাকায় অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ বুথ থেকেও নির্ধারিত নিয়মে মুদ্রা বিনিময় করে নেওয়া যায়।
কলকাতা বা চেন্নাইয়ের বদলে আগরতলা অশ্বিনী নেত্রালয় কেন বেছে নেবেন?
প্রথমত, বিশাল দূরত্ব ও বিমান ভাড়ার সাশ্রয়—মাত্র কয়েক ঘণ্টায় সরাসরি সড়কপথে পৌঁছানো যায়। দ্বিতীয়ত, অশ্বিনী নেত্রালয় ত্রিপুরার প্রথম ও একমাত্র NABH স্বীকৃত সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল, যার মান ভারতের শীর্ষ হাসপাতালের সমতুল্য। তৃতীয়ত, চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা সবাই মাতৃভাষা বাংলায় কথা বলেন, ফলে কোনো দ্বিধা ছাড়াই রোগী মনের কথা বুঝিয়ে বলতে পারেন।
আগরতলায় হাসপাতালের কাছাকাছি থাকার ও হোটেলের সুবিধা কেমন?
হাসপাতালটি আগরতলা শহরের মূল কেন্দ্র বিজয়কুমার চৌমুহনীতে অবস্থিত। হাসপাতালের ১ থেকে ২ কিলোমিটারের মধ্যে বহু মানসম্পন্ন বাজেট হোটেল, গেস্ট হাউস এবং হালাল ও বাংলা খাবারের ভালো রেস্তোরাঁ রয়েছে। আমাদের আন্তর্জাতিক রোগী ডেস্ক প্রয়োজনে নির্ভরযোগ্য হোটেল ও স্থানীয় যাতায়াতের তথ্য দিয়ে সহায়তা করে।
সরাসরি যোগাযোগ ও সহায়তা ডেস্ক

চোখের যেকোনো সমস্যার জন্য আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আপনার পুরনো প্রেসক্রিপশন বা চোখের রিপোর্ট হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসকের প্রাথমিক পরামর্শ ও চিকিৎসা খরচের ধারণা নিন।

📍 অশ্বিনী নেত্রালয় (Ashvini Netralaya)

বিজয়কুমার চৌমুহনী, আগরতলা, ত্রিপুরা – ৭৯৯০০১ (আখাউড়া সীমান্ত থেকে মাত্র ১৫ মিনিট)

ওপিডি সময়: সোম – শনি (সকাল ৯:০০ – সন্ধ্যা ৭:০০)